Image result for ip
Image result for ip
আসসালামু ওয়ালাইকুম আশা করছি সবাই ভালো আছেন 

আজকের টপিক,

IP Address কি.? তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা বিস্তারিত দেখুন।
কারন ট্রিকবিডির এর সাথে থাকলে অবশ্যই সবার ভালো থাকারই কথা আচ্ছা যাই হোক আজ আরও একটা টিপস নিয়ে চলে আসলাম চলুন শুরু করা যাক।
প্রতিটি IP Address হলো Unique, আপনি যখন একটা নির্দিষ্ট IP Address ব্যবহার করছেন তখন সেটা অন্য কেউ ব্যবহার করার সম্ভবনা নেই। IP Address দিয়েই Network ব্যবহারকারীকে শনাক্ত করা যাই এবং করেও থাকে। আপনি যে Internet Service Provider-এর কাছে থেকে Internet সেবা পাচ্ছেন, তারা এই IP Address-এর মাধ্যমেই আপনাকে আলাদাভাবে শনাক্ত করতে পারেন ইচ্ছা করলেই।
Network ব্যবহারকারীর অবস্থান খুঁজে বের করা। প্রতিটা IP Address একটা নির্দিষ্ট স্থানকে নির্দেশ করে। তাই, আপনি কোন জায়গা থেকে Network ব্যবহার করছেন এটা IP Address-এর মাধ্যমে জানা যায়। IP Adderss-গুলো হলো Binary Number, কিন্তু বোঝার সুবিধার জন্য এগুলোকে মানুষের পঠনযোগ্য সংকেত (অক্ষর বা সংখ্যা) দিয়ে প্রকাশ করা হয়ে থাকে।
হ্যাকারদের জন্য একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হচ্ছে এই IP Address. যেহেতু IP Address-এর মাধ্যমে Network ব্যবহারকারীর স্থানজানা যায়, তাই হ্যাকারের জন্য IP Address লুকিয়ে রাখা খুবই জরুরী একটা কাজ। নাহলে হ্যাকারের অবস্থান ফাঁস হয়ে যাওয়ার একটা চান্স থাকে।

আইপি অ্যাড্রেসের দুইটি ভার্সনঃ

IPV4 ও IPV6 চালু আছে। IP পরিকল্পনাকারীরা Internet Protocol Address কে ৩২ বিট দিয়ে প্রকাশ করেছিলেন এবং এই System Internet Protocol Vesrson 4 (IPV4) নামে পরিচিত যা এখনও ব্যবহৃত হচ্ছে। নেটওয়ার্ক বিস্তৃতির কারণে এবং অব্যবহৃত অ্যাড্রেস দিন দিন কমতে থাকার কারণে ১৯৯৫ সালে IPV6 নামে পরিচিত নতুন একটি অ্যাড্রেসিং পদ্বতি চালু করা হয়। IPV6 পদ্বতিতে প্রতিটি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার জন্য ১২৮ বিট ব্যবহৃত হয়। Internet Protocol Address গুলোকে স্টোর করার জন্য বাইনারী সংখ্যা System ব্যবহার করা হয়। বাইনারী সংখ্যা পদ্বতি প্রকাশ করার জন্য সাধারণত মানুষের পাঠ উপযোগী সংকেত ব্যবহার করা হয়, উদাহরণ স্বরুপ বলা যায়, 180.210.130.13 (IPV4) এবং 2001:db8:0:1234:0:567:1:1 (IPV6)।

IPV4 ভার্সন

IPV4 সিস্টেমে প্রতিটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশের জন্য ৩২ বিট প্রয়োজন হয়। ৩২ টি বিট ৪ টি অকটেডে ভাগ করা থাকে। প্রতিটি অকটেড (.) দ্বারা পৃথক করা হয়। নেটওয়ার্ক বিস্তৃতির কারণে বর্তমানে IPV6 নামে ১২৮ বিট আইপি অ্যাড্রেস চালু হয়েছে।

IPV4 SubNet

Internet Protocol চালুর প্রথম দিকে নেটওয়ার্ক প্রশাসকরা IP Address কে দুইটি অংশে বিভক্ত করেনঃ একটি হলো নেটওয়ার্ক আইডি (Network ID) এবং অপরটি হলো হোস্ট আইডি (Host ID) । নেটওয়ার্ক আইডি হলো আইপি অ্যাড্রেসের প্রথম ১৬বিট বা প্রথম দুইটি অকটেড এবং পরবর্তী ১৬টি বিট বা দুইটি অকটেড নিয়ে হলো হোস্ট আইডি। নেটওয়ার্ক আইডি Internet Protocol-এ সুনির্দিষ্ট নেটওয়ার্কটি খুঁজে বের করে এবং হোস্ট আইডি দিয়ে ওই নেটওয়ার্কের ডিভাইস বা কম্পিউটারটিকে চিহ্নিত করে। এই ঘটনাটিকে আমরা বাসা বা বাড়ির ঠিকানা সাথে তুলনা করতে পারি। মনে করুন, আপনি একটি ভবন বা বাড়ি খুঁজে বের করবেন। ভবন বা বাড়িটি খুঁজে বের করার জন্য প্রথমে আপনাকে এলাকাটি খুঁজে বের করতে (Network ID) হবে এবং পরবর্তিতে আপনি বাড়ির নম্বর (Host ID) দিয়ে ভবনটিকে শনাক্ত করতে পারবেন। কিন্তু দিন দিন নেটওয়ার্কের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় নেটওয়ার্ক খুঁজে বের করার এই পদ্বতি সমস্যার সম্মুখীন হয়। কারণ এক অকটেড দিয়ে বিপুল সংখ্যক নেটওয়ার্ক এর জন্য স্বতন্ত্র নেটওয়ার্ক আইডি নম্বর প্রদান করা সম্ভব ছিলো না। এই কারণে ১৯৮১ সালে Internet Addressing Specification সংশোধন করে ClassRoom Network পদ্বতি প্রবর্তন করা হয়।
ClassRoom Network পদ্বতি নেটওয়ার্ক আইডি নম্বরের অসুবিধাটি দূর করার পাশাপাশি সাব নেটওয়ার্ক ডিজাইন ও সহজ করে দেয়। ClassRoom Networkপদ্বতিতে IP Address-এর প্রথম ৮ বিট বা ১ অকটেডের প্রথম তিন বিটকে IP Address-এর ক্লাশ (class) বলা হয়। Public Unicast Addressing এর জন্য তিনটি ক্লাশ (class) A,B এবং C তৈরি করা হয়। ক্লাশের উপর নির্ভরকৃত কতোগুলো স্বতন্ত্র নেটওয়ার্ক আইডি নম্বর প্রদান করা যাবে। নেটওয়ার্ক আইডি নম্বরের সংখ্যা যতো বেশি হোস্ট আইডি নম্বরের সংখ্যা তত কম।
যদি কোনো হ্যাকার আপনার এই IP Address জেনে যাই তাহলে মনে করুন যে আপনার Location থেকে শুরু করে আপনার অনেক তথ্য সে দেখে নিতে পারবে।
অনেকেই ভাবছেন আপনার IP Address কীভাবে বার করবে যদি আপনার ফোনটাই অন্য কাউকে না দেন, আসলে আপনি ভূল ভাবনা তৈরি করছেন আপনার মনের মাঝে। বর্তমান প্রযুক্তি প্রচুর পরিমাণ এগিয়ে গেছে অযথা ভূল ধারণা মনের মাঝে তৈরি করবেন না, আপনার অসাবধানতার কারণেই আপনার IP Address হ্যাকার সংগ্রহ করে থাকে।
আপনারা হয়তো জানেন না একটা বিষয় আমরা অনেকেই কিন্তু Google কে ব্যবহার করে কিছু আমাদের পছন্দনীয় ছবি তে ক্লিক করি এবং ডাউনলোড করে থাকী।
অনেক হ্যাকার এই লিংক-এ Tracking Link মেইক করে রাখে আপনি ক্লিক করার সাথে সাথে আপনি কোন দেশে থাকেন এবং আপনার IP Address চলে যাই হ্যাকার এর হাতে, এখন বললেন হয়তো যে Google এর মতো একটা Company এর লিংক গুলোতে কীভাবে হ্যাকার Tracking করে!
ওই যে বললাম তথ্য প্রযুক্তি এখন প্রচুর পরিমাণ এগিয়ে আছে, শুধু মাত্র Google থেকে ছবির লিংক গুলো হ্যাকার সংগ্রহ করে এবং তাদের Special System এ লিংক গুলোতে Tracking লিংক তৈরি করে এতে তাদের দুই রকম সুবিধা হয়ে থাকে।
  • তারা একটা Tracking Link তৈরি করে ওটাও কাউকে দিলে Google এর Picture বা অন্য কোনো ওয়েবসাইট এ Redirect করবে এইভাবেও IP Address সংগ্রহ করে।
  • আর যে লিংকটা Google এর Original ওটাই তো আপনারা এমনিই ক্লিক করেন
আমি আপনাদের Suggest করবো অবশ্যই কোনো অজানা লিংক এ ক্লিক করার আগে VPN ব্যবহার করে লিংকটা-তে ঢুকবেন।
আমি VPN ব্যবহার করে আমার আইপি Address যেটা VPN আমাকে দিয়েছে আমি ওটা Tracking করে আপনাদের দেখাচ্ছি নিচের Screenshot টি অনুগ্রহ করে লক্ষ করুনঃ

শুধু এতো টুকুই Information না আরও Information Show করানো যাবে অতএব অজানা অচেনা লিংক এ প্রবেশ করার আগে VPN লাগিয়ে নিতে পারেন।
এখন কেউ যদি নিজের IP Address দেখতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার IP Address দেখতে পাবেন এবং সাথে কিছু Information ও নিচের Screenshot এর মতোই দেখতে পাবেন।

আমি নিচে লিংকটি দিচ্ছি আপনারা এই নিচের লিংক গেলে আপনাদের IP Address এবং Screenshot এর মতো কিছু Information আপনার দেখতে পাবেন।
Click this link and check your IP Address
আপনি ইন্টারনেট এ নিরাপত্তা এর জন্য VPN ব্যবহার করতে পারেন কারণ VPN আপনার IP Address Hide করতে সাহায্য করবে। তবে বিদেশীয় VPN গুলো কিন্তু ব্যবহার করার ফলে আপনার ফোনের সব Information VPN Administrator Access করতে পারবে তাহলে যা করবেন অবশ্যই নিজ ইচ্ছায় ভেবে চিন্তে করবেন।
VPN এর পূর্ন রূপ হলো Virtual Private Network। এর নামের চেয়ে এটি বলতে গেলে আরও বেশী সহজ একটি টার্ম। মূলত আপনি আপনার ডিভাইস বা কম্পিউটার; অন্য কারো নেটওয়ার্কের ভেতর দিয়ে ঢুকিয়ে দিয়ে ওয়েব ব্রাউজ করছেন। যাই হোক; আপনি যে কাজই করুন না কেনো মনে হবে সে কাজ গুলো হয়েছে আপনি যার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেছেন তার থেকে। অন্য কথায়; যখন আপনি ভিপিএন এ কানেক্ট হচ্ছেন তখন আপনি আপনার; নিজস্ব আইপি লুকিয়ে ফেলছেন তাদের নেটওয়ার্ক এর আইপি দ্বারা। তবে অন্যের নেটওয়ার্কেরর ভেতর দিয়ে যাচ্ছেন এতে করে আপনার কিছু রিস্ক থাকেই; তাই উপদেশ হচ্ছে পেইড ভিপিএন ব্যবহার করুন। প্রশ্ন হতে পারে : ফ্রী ভিপিএন কী আমাদের ডাটা বিক্রি করছে? তারা কি আপনার আসল আইপি উন্মুক্ত করে দিচ্ছে? উত্তর হলো এটি ঘটতে পারে। তাই আমার সুপারিশ পেইড ভিপিএন ব্যবহার করা। পেইড ভিপিএন গুলো সাধারনত লগলেস[logless] হয়; অর্থাৎ তারা কোনো তথ্য স্টোর করে রাখে না; সুতরাং কোনো অনুরোধেও তারা কোনো আইপি ছেড়ে বা উন্মুক্ত করে দিবে না।
CyberGhost VPN, Nord VPN এবং Express VPN হতে পারে আপনার জন্য চমৎকার তিনটি অপশন।
Web Proxy নিয়ে কিছু কথাঃ

ওয়েব প্রোক্সি ব্যবহার করে ভিপিএন যেভাবে কাজ করে ওয়েব প্রোক্সিও ঠিক একই ভাবে কাজ করে। এখানে ওয়েব ট্রাফিক প্রবাহিত হয় একটি প্রোক্সি সার্ভার দিয়ে। এখানে আপনার আইপিকে লুকানো হয় প্রোক্সি সার্ভার এর আইপি দ্বারা।

তবে এখানে প্রোক্সি ও ভিপিএন এর ভেতর পার্থক্য রয়েছে :

প্রথমত, এই নেটওয়ার্কটি এনক্রিপ্টেড নেটওয়ার্ক না। যদিও আপনার আইপি প্রোক্সি দ্বারা হাইড করা হচ্ছে; তবুও তা আইএসপি, সরকার দ্বারা উদ্ধার করা সম্ভব। শুধু তাই নয়; কিছু কিছু ওয়েবসাইটে আপনার আসল আইপিও দেখাতে পারে ফ্লাস/জাভাস্ক্রিপ্ট এর মাধ্যমে। দ্বিতীয়ত, এখানে ব্রাউজার আপনাকে ব্রাউজার ট্রাফিকের ভেতর দিয়ে পার করে দেবে। ম্যানুয়ালি ব্রাউজার এর সেটিংস থেকে প্রোক্সি সার্ভার এর আইপি বসাতে হবে।
যেভাবে ব্রাউজারে ওয়েব প্রোক্সি সেটাপ করবেনঃ

প্রথমে ফ্রী ওয়েব প্রোক্সি খুজুঁন যেমনঃ PremProxy ইত্যাদি। আপনার নিজের দেশের প্রোক্সি সার্ভার ব্যবহার করলে এটি আপনার জন্য দ্রুত গতির হবে; তবে অন্য দেশেরটা ব্যবহার করলে এটা তুলনামূলক কম গতির হবে।
আশা করছি IP Address নিয়ে আজকে আপনাদের বিস্তারিত বুঝাতে পেরেছি।

**পোষ্ট টি ভালো লাগলে অবশ্যই  কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না

 

 

**আজকের মতো বিদায় নিচ্ছি ভালো থাকবেন। নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবেন

,,,,
আল্লাহ্ হাফেজ,,,,,