Friday, November 30, 2018

আপনি কি জানেন? কিভাবে ব্লগস্পটে কিভাবে স্টিকি পোষ্ট তৈরী করতে হয়?

আপনি কি জানেন? কিভাবে ব্লগস্পটে কিভাবে স্টিকি পোষ্ট তৈরী করতে হয়?
যে পোষ্ট গুলো একেবারে ব্লগস্পটের প্রথম পেজের প্রথমে থাকে সে গুলোকে বলা হয় স্টিকি পোষ্ট।

আমরা যখন ব্লগস্পেটে পোষ্ট করি তখন দেখা যায় যেআমরা যদি পরপর 4টি পোষ্ট করি তাহলে পর পর একটি করে প্রথমে আসে অর্থাৎসর্বশেষ করা পোষ্টটি প্রথমে আসেএখন আমাদের মাঝে মাঝে এমন কিছু পোষ্ট আছে যে গুলোকে আমাদের প্রথমে রাখার দরকার হয়। তখন কি করতে হবেহ্যা তখন যা করতে হবে তা হলঃ
  1. প্রথমে আপনি পোষ্টটি করবেন।
  2. তারপর এডিট পোষ্ট এ যাবেন।
  3. পোষ্ট পাবলিশের তারিখের স্থানে ভবিষ্যতের কোন তারিখ সেট করে দিবেন।
  4. পোষ্টটি আপডেট করে দিবেন।
ব্যস আপনার কাজ শেষ। এখন আপনি যে তারিখ সেট করেছেনসেই তারিখ অতিক্রম না করা পর্যন্ত ঐ পোষ্ট টি আপনার স্টিকি হয়েই থাকবে।
ধন্যবাদ সবাইকে।

Thursday, November 29, 2018

Vivaldi Browser একটি ভালো মানের ফাস্ট ব্রাউজার পিসি ও ল্যাপটপের জন্য Awsam Sofwer

Vivaldi Browser একটি ভালো মানের ফাস্ট ব্রাউজার পিসি ও ল্যাপটপের জন্য Awsam Sofwer
Image result for Vivaldi Browserসবাইকে ছালাম জানিয়ে শুরু করছি আজকের টিউন। আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে আনলাম আমার একটি প্রিয় পিসি ব্রাউজার যার নাম Vivaldi ব্রাউজার। আমরা সবাই chrome, firefox, UC, Opera আরও অনেক ব্যবহার করছেন। কিন্তু আজকে আপনাদের সাথে  যে Browser টি শেয়ার করছি তা অনেক ভালো মানের। আমি নিজেও এই ব্রাউজারটি ব্যবহার করছি। নিচে ব্রাউজারটি সর্ম্পকে আপনাদের ধারণা দেয়ার চেষ্টা করছি।





Faster Navigation
***Speed Dial(দ্রুত ডায়াল)
প্রতিটি নতুন ট্যাবে  প্রিয় সাইটগুলির দ্রুত লিঙ্ক গুলিতে প্রবেশ করতে পারবেন।
*** Spped Dial Folder (গতি ডায়াল ফোল্ডার)
সুবিধাজনক অ্যাক্সেসের জন্য আপনার স্পিড ডায়ালসকে ফোল্ডারে সংগঠিত করতে পারবেন।
*** Quick Commands (দ্রুত কমান্ড)
সহজ text কমান্ডের সাহায্যে  সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
*** Fast Forward (দ্রুত অগ্রগামী)
পরবর্তি পেজে ক্ষণিকের মধ্যে প্রবেশ করতে পারবেন। সার্চ রেজাল্টে অসাধারণ।
*** Rewind (ফিরে দেখা)
অনায়াসে প্রথম পৃষ্টাতে ফিরতে পারবেন।
Image result for Vivaldi Browser
Smarter Browsing
***Notes (নোট্স)
ব্রাউজিং এর সময় সহজেই নোট নতে পারবেন।
*** Side Panel (সাইড প্যানেল)
Side Pannel এর মাধ্যমে বুকমার্ক, ডাউনলোড এবং নোটগুলিতে দ্রুত অ্যাক্সেস করতে পারবেন।
*** Search Box  (সার্চ বক্স)
কোন কিছু র্সাচ করার জন্য আছে সার্চ বক্স।
*** Bookmarks bar (বুকমার্কস বার)
আপনার বুকমার্ক অ্যাক্সেস সহজতর করতে একটি টুলবার।
আরও অনেক সুবিধা আছে। তাহলে বন্ধুরা ডাউনলোড করতে পারেন।
Download Link

আপনার ওয়েবসাইটের সিকিউরিটি এক ধাপ বারিয়ে নিন…Don't Miss

আপনার ওয়েবসাইটের সিকিউরিটি এক ধাপ বারিয়ে নিন…Don't Miss
আপনি যদি একজন ডেভলপার বা একটি ওয়েবসাইট এর মালিক হন, তাহলে প্রথমে আপনার মাথায় আসবে সাইটের সিকিউরিটি নিয়ে। কারণ, ওয়েবসাইটের সিকিউরিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
আপনার ওয়েবসাইট স্ট্যাটিক বা ডায়নামিক যেটাই হোক না কেন, আইফ্রেম এর মাধ্যমে অন্য ওয়েবসাইটে প্রদর্শন করা সম্ভব। এতে আপনার ওয়েবসাইটের ব্যান্ডউইথ ব্যাবহার বেশি হয়। তাই একটি জাভা স্ক্রিপ্ট ব্যাবহার করে আইফ্রেম ভিউ বন্ধ করা সম্ভব। জাভা স্ক্রিপ্টটি ব্যাবহার করলে আপনার ওয়েবসাইট যখন আইফ্রেম এর মাধ্যমে ভিউ করা হবে, তখন পপ আপ বক্সে “For security reasons, framing is not allowed. Click OK to visit the original website.” দেখাবে। পপ আপ বক্সের ok তে ক্লিক করলে পেজটি সরাসরি আপনার ওয়েবসাইটে রিডাইরেক্ট হয়ে যাবে। এভাবে আপনার ওয়েবসাইটে আইফ্রেম ভিউ ব্লক করা সম্ভব।

জাভা স্ক্রিপ্ট কোডঃ

<script type="text/javascript">
      if (top != self) {
 top.location.replace(document.location);
 alert("For security reasons, framing is not allowed. Click OK to visit the original website.");
      }
</script>
[বিঃদ্রঃ যদি আপনি জাভা স্ক্রিপ্ট ফাইল হিসেবে ব্যাবহার করতে চান তাহলে, Script ট্যাগ বাদ দিতে হবে]
পেস্টবিন থেকেও কোডটি কপি করতে পারবেন। নিচে পেস্টবিন লিঙ্কঃ
এই জাভা স্ক্রিপ্ট হেডার অথবা ফুটারে ব্যাবহার করতে পারবেন। তবে আমি আপনাকে ফুটারে ব্যাবহার করার জন্য পরামর্শ দিব।
কাজ শেষ, এভাবে জাভা স্ক্রিপ্ট ব্যাবহার করে আইফ্রেম ভিউ বন্ধ করা এবং ওয়েবসাইটের সিকিউরিটি এক ধাপ বারিয়ে নেওয়া সম্ভব।
সবাই ভাল থাকবেন। যেকোনো সমস্যা হইলে কমেন্টে জানাবেন। আর নতুন নতুন টিপস পেতে পিসি হেল্পলাইন বিডি ব্লগে বেশি বেশি করে ভিজিট করুন।
“নিজে জানুন, শেয়ার করে অন্যকে জানান”

ESET Antivirus 2018 ফুল লাইসেন্স কি সহ ডাওনলোড করেনিন এখনই

ESET Antivirus 2018 ফুল লাইসেন্স কি সহ ডাওনলোড করেনিন এখনই
ESET Antivirus একটি খুবই জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস, এন্টিভাইরাসটি শক্তিশালী মালয়্যার, টরজান, এবং শক্তিশালী সব ভাইরাস প্রতিরোধ করতে সক্ষম, আমার মতে এন্টিভাইরাসটী খুব ভালো এবং কম্পিউটারকেও অনেক ফাস্ট রাখে।
Image result for ESET Antivirus 2018

একনজরে দেখেনিন ফিচারগুলিঃ

  • ইন্টারনেট প্রটেকশনঃ কোনরকম দুশ্চিন্তা ছারাই ব্যবহার করতে থাকুন ইন্টারনেট পাচ্ছেন সম্পুরন্য সুরক্ষ্যা
  • পিসি স্লো হবে নাঃ বেশিরভাগ এন্টিভাইরাস গুলি ব্যবহারের ক্ষত্রে কম্পিউটার খুব স্লো হয়ে যায়, কিন্তু ESET Antivirus আপনার কম্পিউটারকে স্লো করবে না
  • ব্যবহারে সহজ
  • স্ক্রিপ্ট টাইপের এট্যাক প্রটেকশন
এন্টিভাইরাসটির বর্তমান বাজার মূল্য  $39.99 ডলার, এখানে আপনি ফ্রিতেই পাচ্ছেন এন্টিভাইরাসটি তো আর দেরি কিসের ডাওনলোড করে নিন এখনি ঃ ডাওনলোড লিঙ্ক
ডাওনলোড হয়ে গেছে ? এইবার ইন্সটল এবং ক্র্যাক করার পালা, চলুন দেখে নেয়া যাক কিভাবে ক্র্যাক করবেন
প্রথমে রার ফাইলটি এক্সট্রাক করুন
পরের থাপ গুলি ভিডিওটি দেখে কমপ্লিট করুন : ভিডিও লিঙ্ক 
ইনশাল্লাহ আপনার কাজ হয়ে গেছে, কোন সমস্যার সম্মুখীন হলে ফেইছবুকে আমাকে নক করুন

Ransomware এর মতো নতুন ভাইরাস, আপনার ডাটা হারাতে না চাইলে সবাই সর্তক থাকুন!

Ransomware এর মতো নতুন ভাইরাস, আপনার ডাটা হারাতে না চাইলে সবাই সর্তক থাকুন!
কেমন আছেন সবাই, আশা করি ভালো। কিন্তু এই খবরটি শোনার পর হয়তো ভাল থাকবেন না। কারন খবরটা দুশ্চিন্তার! বেশ কিছু দিন আগে আমরা অনেকে Ransomware ভাইরাস দারা আক্রান্ত হয়েছিলাম। পরে আমরা সর্তক হয়ে যাওয়ার কারনে রক্ষা পেয়েছিলাম। কিন্তু দুশ্চিন্তার ব্যাপার হলো Ransomware আপডেট ভার্সন বের করেছে হ্যাকাররা তার নাম Puma Ransomware। Puma Ransomware এর মতই একটি ভাইরাস, যা আপনার কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপে আক্রমন করে আপনার সকল ডেটা গুলো encrypt করে দিবে। সম্প্রতি Malware Security Researcher Marcelo Rivero এর দারা এটির খোঁজ পাওয়া যায়।
Puma কম্পিউটারের Task Manager কে Disable করে দেয় যেন Pama প্রতিরোধ করা সম্ভব হয় না। এটি Windows Update এর নকল উইন্ডো তৈরি করে, এতে ব্যবহারকারী মনে করেন উইন্ডোস আপডেট হচ্ছে। এবং এই নকল উইন্ডোজ আপডেট এর সময় ব্যবহার কারীর সকল ডেটা encrypt করে দেয় এবং ফাইলের নাম এর সাথে.puma /.pumas অথবা.pumax যুক্ত করে দেয়।
অর্থাৎ
Photo.jpg কে Photo.puma তে encrypt করে
এর পরেই Ransomware এর মত মুক্তিপণ দাবি করে।
Puma ডেভেলোপারদের বানানো Decrypt Tool ব্যবহার করেই ভিক্টিম তাদের ডেটা গুলো ফিরে পেতে পারে। এজন্যে ভিক্টিমদের তাদের ডেভেলোপারদের নিকট থেকে টুলটি কিনে নিতে হবে। এর পরেই তারা তাদের ডেটা Decrypt করতে পারবে।
কিভাবে ভাইরাসটি ছড়াচ্ছেঃ
মূলত Fake Os update, Email, Third Party Software, Fake Software Updating Tools, Torrent এবং Trojans এর মাধ্যমে ভাইরাসটি ছড়াচ্ছে। এছাড়াও Microsoft Office Documents, RAR, PDF, এবং exe এর মাধ্যমেও এই ভাইরাসটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
প্রতিকার :আসলে সর্তক হওয়া আর Windows 10 এর Latest Version ব্যবহার করা ছাড়া আপাতত কোন প্রতিকার নাই। নতুন ভাইরাস তাই এন্টিভাইরাস দিয়েও রক্ষা পাওয়া যাবে না। থার্ড পার্টি অ্যাপ ব্যবহার থেকে সাবধান থাকুন।
এইরকম ফেক আপডেট থেকে সাবধান থাকুন। এইরকম ওএস আপডেট নোটিফিকেশন আসলে ক্লিক করবেন না।

আমাদের দেশের কিছু লোকের কম্পিউটার এই ভাইরাসে আক্রান্ত, চলুন তাদের কমেট গুলো দেখি,
আরেকটা দেখুন

Wednesday, November 28, 2018

স্বামীর সাথে স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ মিলে গেলে কি হয় জানেন?

স্বামীর সাথে স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ মিলে গেলে কি হয় জানেন?
https://bdnewsweb.com/wp-content/uploads/2018/11/
সমাজে বিয়ে করার মাধ্যমে সামাজিক বন্ধন গড়ে ওঠে। এরপর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিয়ে ভাবাভাবি শুরু। বিয়ের আগে আমরা পরিবার, আত্মীয়-স্বজন এসমস্ত সকল বিষয়ে যাবতীয় খোঁজ খবর নিয়ে থাকি। কিন্তু, সবচেয়ে প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ সংক্রান্ত ব্যাপারটি ।যেটা সব থেকে আগে জানা দরকার। কিন্তু আমরা অধিকাংশ মানুষই এই বিষয় টার দিকে কোন ধরনের নজর দেই না।তাই আমাদের আজগের আলোচনার মুল বিষয় এটি। চলুন বিস্তারিত জেনে নেই এবং আমাদের ভুল গুলো সুদ্রে নেই।

স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে কোনো সমস্যা হয় কি? অনেকের মধ্যে এমন অজানা একটি প্রশ্ন জাগে। যা নিয়ে তারা অযথা দুশ্চিন্তা করে থাকেন। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, ‘এতে কোনো সমস্যাই হয় না।’ গোটা পৃথিবীতে রক্তের গ্রুপ ৩৬ শতাংশ ‘ও’ গ্রুপ, ২৮ শতাংশ ‘এ’ গ্রুপ, ২০ শতাংশ ‘বি’ গ্রুপ। কিন্তু এশিয়াতে প্রায় ৪৬ ভাগ মানুষের রক্তের গ্রুপ ‘বি। এশিয়ায় নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপ ৫ শতাংশ, সেখানে ইউরোপ আমেরিকাতে প্রায় ১৫ শতাংশ। যেখানে উপমহাদেশে সিংহভাগ মানুষের রক্তের গ্রুপ ‘বি’। সেখানে স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপের মিল হবে সেটাই স্বাভাবিক। এতে কোনো সমস্যা হয় না।

কিন্তু, যদি স্ত্রীর নেগেটিভ রক্তের গ্রুপ থাকে এবং স্বামীর পজিটিভ গ্রুপ থাকে তাহলে সমস্যা হয়ে থাকে। যাকে জয Rh Isoimmunization বলে। সেটারও সহজ চিকিৎসা বা টিকা আছে। অনেকের ভ্রান্ত ধারণা- বাবা মায়ের রক্তের গ্রুপ এক হলে বাচ্চার থ্যালাসেমিয়া হয়। এটাও সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। কারণ, থ্যালাসেমিয়া রোগ ক্রোমোজোম এবনরমালিটি থেকে হয়। রক্তের যে সকল গ্রুপ রয়েছে তা হলো: এ পজেটিভ, এ নেগেটিভ, বি পজেটিভ, বি নেগেটিভ, এবি পজেটিভ, এবি নেগেটিভ, ও পজেটিভ এবং ও নেগেটিভ। স্বামীর রক্তের গ্রুপ স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ সন্তানের অবস্থান:

পজিটিভ(+) পজেটিভ(+) সুস্থ সন্তান
নেগেটিভ (-) নেগেটিভ (-) সুস্থ সন্তান
নেগেটিভ (-) পজেটিভ (+) সুস্থ সন্তান
পজিটিভ (+) নেগেটিভ (-) প্রথম সন্তান সুস্থ, দ্বিতীয় থেকে সমস্যা

উল্লেখ্য, প্রধানত রক্তের গ্রুপকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটা হলো এবিও পদ্ধতি (এ, বি, এবি এবং ও) অন্যটা আরএইচ ফ্যাক্টর (আরএইচ পজেটিভ এবং আরএইচ নেগেটিভ)। এ রেসাস ফ্যাক্টরই ঠিক করে দেয় ব্লাড গ্রুপ পজেটিভ হবে না নেগেটিভ হবে।

Tuesday, November 27, 2018

১টি সফ্টওয়্যার দিয়েই সকল প্রকার পাসওয়ার্ড রিকোভার করুন

১টি সফ্টওয়্যার দিয়েই সকল প্রকার পাসওয়ার্ড রিকোভার করুন
পাসওয়্যার্ড রিকোভার করার জন্য চমৎকার একটি সফ্টওয়্যার নিয়ে আসলাম। সাধারনত বিভিন্ন ফাইলের পাসওয়্যার্ড রিকোভার করতে বিভিন্নি ধরনের সফ্টওয়্যার ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
অথচ Password Recovery Bundle দিয়ে সকল প্রকার পাসওয়্যার্ড ক্র্যাক করা যায়। Windows, PDF,  ZIP,  RAR,  Office Word/Excel এর পাসওয়ার্ড ছাড়াও আরো যেসব পাসওয়ার্ড ক্র্যাক করতে পারবেন তার একটি তালিকা নিচে দিয়ে দিলাম >

Reset Windows Password :
Windows 7, 2008, Vista, XP, 2003, 2000 অপারেটিং সিষ্টেমের এডমিনিষ্ট্রেটর সহ যেকোন একাউন্টের পাসওয়ার্ড রিসেট করতে পারবেন সহজেই।
Retrieve Email Password 
Microsoft Outlook 98 / 2000 / XP / 2003 / 2007 / 2010, Outlook Express, Windows Mail, Windows Live Mail, Hotmail, Gmail, Eudora, Incredimail, Becky! Internet Mail, Phoenix Mail, Ipswitch IMail Server, Reach-a-Mail, Mozilla Thunderbird, Opera Mail, The Bat!, PocoMail, Pegasus Mail, ইত্যাদিতে ব্যবহারকৃত মেইলের পাসওয়ার্ড ফেরতে পেতে পারেন সহজেই।
Instant Messenger Password 
MSN Messenger, Windows Messenger, MSN Explorer, Windows Live Messenger, AIM Pro, AIM 6.x and 7.x, Google Talk, MyspaceIM, Trillian Basic, Trillian Pro, Trillian Astra, Paltalk, Miranda, Digsby, Pidgin, GAIM, EasyWebCam, Camfrog Video Chat, Ipswitch Instant Messaging ইত্যাদি ম্যাসেঞ্জারের পাসওয়ার্ড ভুলে গেলেও তা রিকোভার করতে পারবেন।
Unlock Password-Protected Files 
PDF Password Recovery – 
Office Password Recovery – Word / Excel / PowerPoint 2010 / 2007 / 2003 / X P / 2000 / 97 documents.
Archive Password Recovery –  WinRAR ,  ZIP,  PKZip, ইত্যাদি
MS Access Password Recovery – Microsoft Office Access XP / 2003 / 2000 / 97 / 95 database.
SQL Server Password Recovery – SQL Server login password for SQL Server 2000 / 2005 / 2008
Recover Internet Password 
Browser Password Recovery – Microsoft Internet Explorer 6 / 7 / 8 / 9, Mozilla Firefox, Opera, Apple Safari, Google Chrome.
FTP Password Recovery – CuteFTP, SmartFTP, FileZilla, FlashFXP, WS_FTP, CoreFTP, FTP Control, FTP Navigator, FTP Commander, FTP Voyager, WebDrive, 32bit FTP, SecureFX, AutoFTP,
Recover Lost CD key 
 Microsoft Windows, Office, SQL Server, Exchange Server এবং অন্যন্য সিডি কী হারিয়ে গেলেই তা রিকোভার করতে পারবেন।
Recover Other Passwords 
 VNC, Remote Desktop Connection, Total Commander, Dialup সহ আরো কতযে পাসওয়ার্ড রিকোভার করতে পারবেন বিপদের সময় তা ব্যবহার না করলে বুঝতে পারবেন না।
ডাউনলোড লিংক >>  https://www.mediafire.com/?zl48e01ev0j27zx
আরেকটা সুখবর হচ্ছে এটা আবার পোর্টেবল ; তাই ইনষ্টল করার প্রয়োজন হবে না। পেইনড্রাইভের মাধ্যমে পকেটে করে নিয়ে বেড়াবেন। আর বন্ধুর কম্পিউটারে সুযোগ পেলে পাসওয়ার্ড……………………………………………………… (বললাম না )
ধন্যবাদ সবাইকে; ভাল থাকবেন । কমেন্টের অপেক্ষায় থাকলাম।

এবার নিজেই হ্যাকার সাজুন! ১ বছর পূর্বে পিসিতে কি কপি করেছিলেন তা সার্চ করুন!!

এবার নিজেই হ্যাকার সাজুন! ১ বছর পূর্বে পিসিতে কি কপি করেছিলেন তা সার্চ করুন!!
আজ আপনাদের জন্য মজার অথচ খুব কাজের একটি সফটওয়্যার নিয়ে এসেছি। সফটওয়্যারটির নাম  Comfort Clipboard। সফটওয়্যারটি ইন্সটল করা থাকলে আপনি কোন সময় কি কপি করছেন তার যাবতীয় বিবরণ এই সফটওয়্যারটি রেখে দিবে। এমনকি ১ বছর পরও আপনি আপনার অতীতে কোন সময় কি কপি করেছেন তাও বের করতে পারবেন। আপনি আপনার কীবোর্ডের প্রিন্টস্ক্রীণ কী এর মাধ্যমে কোন স্ক্রীণশট নিলে সেটাও রেকর্ড করে রাখবে এই সফটওয়্যারটি। সফটওয়্যারটির বাজার দাম প্রায় ২০ডলার।
কিন্তু আপনাদের জন্য সফটওয়্যারটির সাথে ক্র্যাক ও সিরিয়াল দুটোই দেয়া আছে।
তাই এক্ষুনি ডাউনলোড করে নিন এই সফটওয়্যারটি নিচের লিঙ্ক হতে- মাত্র প্রায় ৩.৫ মেগাবাইটের ফাইল সাইজ।
 সফটওয়্যারটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন-
১।সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করার পর ইনষ্টল করুন। প্রথমত ইনষ্টল হলে ফাইলটি ওপেন করবেন না।
২।  এবার ক্রাক ফোল্ডারে গিয়ে ক্রাক ফাইল কপি করে যেখানে ইনষ্টল করেছেন সেখানে গিয়ে পেষ্ট করে দিন। অতপর সফটওয়্যারটি  চালু করুন। নিম্নরুপ স্কীণশর্ট আসবে-
উপরের চিত্রের দিকে লক্ষ্য করুন- বাম দিকের প্যানেলে অনেকগুলো অআইকনের চিহৃ/ফাইল দেখা যাচ্ছে। মূলত এই গুলোই হল আপনার কপি করা ফাইল রেকর্ড।
পরামর্শ- যারা এর মধ্য হার্ডডিস্ক ফরম্যাট কিংবা পার্টিশন করেছেন তাদের কপি করা ফাইল খুজে নাও পেতে পারেন। তাছাড়া এর একটি সমস্যা রয়েছে যেমন- কোন বড় ধরনের ক্লিনার ইউটিলিটি ব্যবহার করলেও Failure দেখাতে পারে। যাইহোক এটি দ্বারা পূর্বের কপি করা ফাইল অবস্থান নই, বর্তমান সময়ে কপি করা ফাইল রেকর্ড বাহির করতে পারবেন।

এবার অতি সহজেই জেনে নিন- আপনার ওয়েবসাইট/ব্লগটির মূল্য কত?

এবার অতি সহজেই জেনে নিন- আপনার ওয়েবসাইট/ব্লগটির মূল্য কত?
একটি ভাল ব্লগ বা ওয়েব সাইট নিজের অজান্তেই অনেক সময় নিজের সবচেয়ে বড় সম্পদ হয়ে উঠে। একটি গাছকে যত্ন নিলে যেমন সেটি বড় হয়ে ভাল ফল দেয় তেমনি একটি ব্লগ বা ওয়েব সাইট এর ভাল প্রমোশন করা হলে সেই সাইটটি ভবিষ্যতের অবলম্বন হয়ে গড়ে উঠে। অনেকেরই এমন ওয়েব সাইট আছে যেখানে প্রায় প্রতিদিনই হাজার হাজার ভিজিটর ভিজিট করে থাকে। আমাদের প্রায় সবারই ব্লগ আছে, কারো কারো প্রফেশনাল ওয়েবসাইটও আছে। আমরা অনলাইন থেকে আয়ের উদ্দেশ্যই হয়তোবা যার যার ওয়েবসাইট তৈরি করছি। আমাদের এই প্রিয় ওয়েবসাইটটির মূল্য কত?? আসুন জেনে নিই আমাদের কাংক্ষিত ওয়েবসাইটের মূল্য।
অনেকেই জানেনই না যে তার ব্লগ বা ওয়েব সাইটটির মূল্য কত। এজন্য আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি এমনই একটি সাইট যার মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েব সাইটটির প্রকৃত মূল্য জানতে পারবেন।
সাইটটিতে যাওয়ার জন্য এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
অথবা,
উপরে দেখুন লিখা আছে  “How much is your website worth”। এখন নিচে খালি জায়গায় আপনার ওয়েবসাইটটির URL দিন। তারপর ক্লিক করুন “Estimate Website Value” । প্রায় ১ মিনিটের মত সময় নিবে ১০ স্টেপ চেকিং এর মাধ্যমে।  কিছুক্ষন এর মধ্য আপনার ওয়েবসাইট এর মূল্য জেনে যাবেন। নিচের ছবিটা দেখুনঃ-
এখানে আমি Prothom-Alo Blog সাইটকে সার্চ করেছি, এর দাম ১১,১৮৬$!! আবার দেখুন যদি Prothom-Alo Blog এই সাইটে তাদের ভাড়া দেয় তবে ৬২৫$ প্রতি মাসে আয় করতে পারে!!আমার মনে হয় অনেকে এই ব্যাপারে জানেন।  যারা জানেন তাদেরকে পোস্টটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ। এখানে অবশ্য পিসি হেল্প লাইন বিডিকে সার্চ দিয়ে ছিলাম, কিন্তু উক্ত সাইট পিসি হেল্প লাইন বিডিকে ডিটেক্ট করতে পারেনি। তাই অন্য সাইট হিসাবে Prothom-Alo Blog সাইটকে পরীক্ষা হিসাবে নিলাম। এখানে এমনিভাবে যে কোন সাইটকে এমনকি আপনার ব্লগ সাইটকেও সার্চ দিয়ে মূল্য জানতে পারবেন। http://www.yourwebsitevalue.com/ সাইটে প্রবেশ করলে এর সর্ববাম পাশের স্কীনে সেরা ১০ টি সাইটের তালিকা দেয়া আছে যেমন- গুগল, ফেসবুক, ইয়াহু, ইউটিউব ইত্যাদি সাইটের মুল্য জানতে পারবেন।

আজ এই পর্যন্তই। কোন ভূল হলে তা জানাতে ভুলবেন না।

পিসিতে নেট স্পীড বাড়িয়ে নিন, ১০০% কার্যকারী পদ্ধতি গুলো অবলম্বন করে!

পিসিতে নেট স্পীড বাড়িয়ে নিন, ১০০% কার্যকারী পদ্ধতি গুলো অবলম্বন করে!
মরা প্রত্যেকেই ফাস্ট ইন্টারনেট স্পীড পেতে পছন্দ করি, আর আজকের দিনের ট্যাস্ক গুলো ধীরেধীরে এতোবেশি হাইএন্ড হয়ে উঠছে যে, ফাস্ট ইন্টারনেট অনেকটা আবশ্যক হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর্টিকেলের শুরুতেই বলে রাখছি, আপনার ইন্টারনেট প্রভাইডার থেকে আপনি টাকা দিয়ে যে স্পীড প্যাকেজ কিনেছেন, সেটার চেয়ে বেশি স্পীড পাওয়ার কোন পদ্ধতি এই আর্টিকেলে শেয়ার করা হয় নি। ধরুন আপনি আপনার প্রভাইডারকে প্রতি মাসে ২ মেগাবিট/সেকেন্ড কানেকশন স্পীডের জন্য টাকা দেন, এখন আপনি কোন ভাবেই সেটা ৫ মেগাবিট/সেকেন্ড বাড়াতে পারবেন না। —কিন্তু আপনি যদি আশানুরূপ স্পীড না পান, ধরুন আপনি ১০ মেগাবিট/সেকেন্ড প্ল্যানের জন্য টাকা খরচ করছেন, কিন্তু আপনি সেই স্পীড পাচ্ছেন না, তাহলে আজকের আর্টিকেল সম্পূর্ণই আপনার জন্য। সম্পূর্ণ আর্টিকেলে আমরা ইন্টারনেট স্পীড কম পাওয়ার সম্ভাব্য কারণ গুলো খুজে বেড় করার চেষ্টা করবো এবং ফিক্স করবো। তো চলুন শুরু করা যাক…

ইন্টারনেট স্পীড টেস্ট

ইন্টারনেট স্পীড টেস্ট
তো কিভাবে বুঝবেন, আপনি আপনার কানেকশন স্পীড কতোটুকু? অনেকে হয়তো ফাইল ডাউনলোড লাগিয়ে দিয়ে পরিক্ষা করার চেষ্টা করে, কিন্তু কোন ফাইল ডাউনলোড লাগিয়ে কখনোই আপনার আসল স্পীড নির্ণয় করা সম্ভব নয়। দেখুন, ফাইল ডাউনলোড স্পীড শুধু আপনার ইন্টারনেট কানেকশন স্পীডের উপর নির্ভর করে না, আপনি যে ইন্টারনেট সার্ভার থেকে ফাইলটি ডাউনলোড করছেন, তার স্পীডও গুরুত্বপূর্ণ। ধরুন আপনার ইন্টারনেট কানেকশনের আসল স্পীড ১০ মেগাবিট/সেকেন্ড, কিন্তু আপনি যে সার্ভার থেকে ফাইল ডাউনলোড করছেন তার মাক্স ট্র্যান্সফার স্পীড ৫ মেগাবিট/সেকেন্ড, এক্ষেত্রে আপনার ডাউনলোডিং স্পীড ৫ মেগাবিট/সেকেন্ড পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকবে। তাহলে আসল ইন্টারনেট স্পীড মাপার পদ্ধতি কি?
অনেকেই স্পীড টেস্ট ডট নেট সাইটটির সাথে পরিচিত থাকবেন হয়তো, এটি মুলত আপনার আসল স্পীড পরিমাপ করতে আপনাকে সাহায্য করবে। কিন্তু এখানেও কিছু ব্যাপার রয়েছে, যেগুলো আপনাকে নজরে রাখা প্রয়োজনীয়। স্পীড টেস্ট ডট নেট কিন্তু আপনার স্পীড নিজের সার্ভারের সাথে কানেক্ট করে টেস্ট করিয়ে দেয় না। এটি বিভিন্ন সার্ভারের সাথে আপনার কানেকশনকে কানেক্ট করে স্পীড পরিমাপ করে। যখন আপনি স্পীড টেস্ট শুরু করেন, ওয়েবসাইটটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি বেস্ট সার্ভার সিলেক্ট করে এবং স্পীড পরিমাপ করে। এখন হতে পারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিলেক্ট করা সার্ভারটি বিডিআইএক্স (বাংলাদেশ ইন্টারনেট এক্সচেঞ্জ; এই অবস্থায় আপনার আইএসপি এবং টেস্ট সার্ভার বিশেষ লোকাল কানেকশনে কানেক্টেড থেকে হাই স্পীড ব্যান্ডউইথ ট্র্যান্সফার রেট প্রদান করে) কানেক্টেড, এতে আপনি কখনোই আসল স্পীড দেখতে পাবেন না। তাই স্পীড টেস্ট করার সময় বিভিন্ন সার্ভার সিলেক্ট করে আলাদা আলাদা টেস্ট রান করাতে হবে। এখন স্পীড টেস্ট করার পরে যদি দেখা যায়, আপনার স্পীড একেবারেই আশানুরূপ, মানে ১০ মেগাবিট/সেকেন্ডের জন্য টাকা দিচ্ছেন, আর সব টেস্টেই একই স্পীড এসেছে, তো চিন্তার কোনই কারণ নেই, বরং আপনাকে অভিনন্দন! আপনি চাইলে এই আর্টিকেল এখান থেকেই অনুসরণ করা বন্ধ করতে পারেন (আর আরো কুল আর্টিকেল গুলো পড়া শুরু করতে পারেন)।
কিন্তু আপনি যদি আশানুরূপ স্পীড না পান, তাহলেই সমস্যার শুরু। তবে আরো গভীর চিন্তা শুরু করার আগে, আমি বলবো দিনের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সার্ভার ব্যবহার করে স্পীড টেস্ট করা। আপনার ইন্টারনেট প্রভাইডারের কাছে যখন কোন সময় বেশি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে, তখন প্রভাইডারের স্পীডের অবস্থা ঢিল হয়ে যায়।  ডেইলি বিভিন্ন সময়ের টেস্টে যদি দেখা যায়, কোন এক সময় আশানুরূপ স্পীড এবং কোন এক সময় কম স্পীড তাহলে এটা আপনার আইএসপির সমস্যা, তারা ঠিকঠাক ব্যান্ডউইথ স্পীড ম্যানেজ করতে পাড়ছে না। এবার মোবাইলটা হাতে নিন আর আইএসপি’কে ডায়াল করুন, আপনার সমস্যার কথা জানিয়ে ফিক্স করতে বলুন।
কিন্তু যদি দিনের বিভিন্ন সময় টেস্ট করার পরে দেখা যায়, স্পীড সবসময়ই কম সেক্ষেত্রে অনেক বিষয় ভেবে দেখার প্রয়োজন রয়েছে। সবসময় স্পীড কম পাওয়ার পেছনে আপনার আইএসপি’র ও সমস্যা থাকতে পারে। তবে আইএসপি’র সমস্যা ডিটেক্ট করার আগে আপনাকে দেখতে হবে, আপনার হোম নেটওয়ার্কিং সিস্টেমে কোন সমস্যা নেই তো? আপনার ডিভাইজে যেমন- মোবাইল, ট্যাবলেট, পিসি, ল্যাপটপ তেও সমস্যা থাকতে পারে, আবার রাউটার থেকে কানেকশন সমস্যার কারনেও আপনার স্পীড স্লো হয়ে পড়তে পারে। চলুন একে একে সব টেস্ট করা যাক এবং সমাধান খোঁজা যাক।

ডিভাইজ

আপনার হোম নেটওয়ার্কে কানেক্টেড থাকা সকল ডিভাইজ গুলো থেকে স্পীড টেস্ট করুন এবং ফলাফল লক্ষ্য করুন। যদি দেখেন, কিছু ডিভাইজে ভালো স্পীড পাচ্ছে আবার কিছু ডিভাইজ খারাপ স্পীড পাচ্ছে, তাহলে এখানে আপনার আইএসপি’র কোন সমস্যা নেই। সমস্যা ঐ ডিভাইজ গুলোতে অথবা রাউটার থেকে ডিভাইজ কানেকশনের মধ্যে সমস্যা রয়েছে। আবার যদি স্পীড টেস্ট করে দেখা যায় যে, সকল ডিভাইজ গুলোই স্লো স্পীড পাচ্ছে, তবে আপনার রাউটার এবং কানেকশন প্রবলেম হতে পারে। যদি আপনার হোম নেটওয়ার্কে থাকা মোবাইল ভালো স্পীড পায়, কিন্তু কম্পিউটার যদি ভালো স্পীড না পায় তবে আপনাকে কম্পিউটারের স্পীড ফিক্স করতে হবে। এখানে সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার নির্ভর উভয় ধরনের সলিউসনের কথা আপনাকে ভাবতে হবে।

কম্পিউটারের ইন্টারনেট স্পীড ফিক্স

কম্পিউটারের ইন্টারনেট স্পীড ফিক্স

সফটওয়্যার

চলুন প্রথমে আপনার কম্পিউটারের সফটওয়্যার জনিত কারনে কিভাবে ইন্টারনেট স্পীড স্লো হতে পারে, সেই বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করা যাক। আপনার কম্পিউটারটি যদি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে চলে, তবে হতে পারে কোন উইন্ডোজ ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস, কিংবা উইন্ডোজ আপডেট আপনার ব্যান্ডউইথ স্পীড কমিয়ে দিচ্ছে। এক্ষেত্রে আপনি উইন্ডোজের ডিফল্ট রিসোর্স মনিটর থেকে দেখতে পারেন, কোন প্রসেস গুলো অঝথা নেটওয়ার্ক ব্যান্ডউইথ স্লো করছে। আবার আপনি নেট ব্যাল্যান্সারনামক টুলটি ইন্সটল করেন, সেখানে সহজেই মনিটর করতে পারবেন, কোন প্রসেস কিভাবে কতোটুকু ব্যান্ডউইথ স্পীড কনজিউম করছে। আপনি চাইলে সেখানে আপনার প্রয়োজনীয় ইন্টারনেট ব্রাউজার এবং ডাউনলোড ম্যানেজারকে অধিক প্রাধান্য দিয়ে রাখতে পারেন এবং উইন্ডোজ আপডেট প্রসেসের স্পীড লিমিট করে রাখতে পারেন (কখনোই উইন্ডোজ আপডেট ডিসেবল করবেন না, এতে আপনার কম্পিউটার সিকিউরিটি হুমকিতে পড়ে যেতে পারে)।
যদি নেট মনিটরে  দেখেন, কোন আলাদা প্রসেস ব্যান্ডউইথ স্পীড নষ্ট করছে না, সেক্ষেত্রে আপনার ব্রাউজার পরিবর্তন করে দেখা প্রয়োজনীয়। আপনি যদি এখনো ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করেন, তবে হলফ করে বলতে পারি ঐ বেটার কারণেই আপনার কম্পিউটারে স্লো স্পীড পাচ্ছেন। আপনি মোজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহার করতে পারেন, স্পীডের মামলায় এটি অনেক ফাস্ট ব্রাউজার। অথবা গুগল ক্রোমও ব্যবহার করতে পারেন, তবে আপনার পিসি’র কনফিগারেশন যদি খুব একটা ভালো নয় বা র‍্যামের পরিমান যদি কম থাকে তবে ক্রোম ব্যবহার না করায় ভালো। আবার আপনি যদি অলরেডি ক্রোম বা ফায়ারফক্স ব্যবহার করেন এবং তারপরেও স্লো স্পীড অনুভব করেন, সেক্ষেত্রে ব্রাউজার এক্সটেনশন এবং প্ল্যাগইনস গুলোকে আনইন্সটল করে দেখুন আপনার ইন্টারনেট স্পীড বুস্ট করছে কিনা।
আবার অনেক সময় আপনার ডিএনএস সার্ভার স্লো হওয়ার কারণেও আপনার পেজ লোড হতে দেরি হতে পারে। আপনি যখন ব্রাউজারে কোন অ্যাড্রেস লিখে সেখানে প্রবেশ করতে চান, আপনার আপনার ব্রাউজার প্রথমে সেই ডোমেইন নেমটির পেছনের আইপি অ্যাড্রেস টিকে খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করে। আর ডিএনএস সার্ভারে সকল ডোমেইনের পেছনের আইপি অ্যাড্রেস ডাটা থাকে। যদি ডিএনএস সার্ভার স্লো হয়, তবে ব্রাউজার ডোমেইন নেম আইপি খুঁজে পেতে দেরি করবে ফলে ব্রাউজিং স্পীডের উপর এর প্রভাব দেখতে পাওয়া যাবে। আপনি যদি নিজে থেকে ডিএনএস সার্ভার পরিবর্তন না করেন, তবে সেটা ডিফল্টভাবে আপনার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডারের ডিএনএস এ সেট হয়ে থাকবে। ফাস্ট পারফর্মেন্স পাওয়ার জন্য গুগল পাবলিক ডিএনএস ব্যবহার করতে পারেন। আপনার উইন্ডোজ কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক অ্যাডাপটার সেটিং থেকে খুব সহজেই কাস্টম ডিএনএস সেট করে নিতে পারবেন (যদি সেট করতে না পারেন, আমাকে নিচে টিউমেন্ট করুন, অথবা গুগল করেও অনেক টিউটোরিয়াল পেয়ে যাবেন)।

হার্ডওয়্যার

তো আপনি উপরের সবকিছু করে দেখলেন, কিন্তু এখনো আপনার ইন্টারনেট স্পীড ফিক্স হলো না, তাহলে নিশ্চয় হার্ডওয়্যার জনিত ব্যাপার রয়েছে। আপনি যদি রাউটার থেকে ইথারনেটক্যাবল ব্যবহার করে পিসিতে ইন্টারনেট সংযোগ করে থাকেন, তবে দেখুন ক্যাবলটি কোন ক্যাটাগরির। যদি ক্যাবলের গায়ে ক্যাট ৫ই (CAT5e) বা ক্যাট ৬ (CAT6) বা ক্যাট ৬ এর পরে যেকোনো কিছু লেখা থাকে তবে আপনি সঠিক ক্যাবলটি ব্যবহার করছেন। যদি আপনার ক্যাবলটিতে শুধু ক্যাট ৫ লেখা থাকে, তবে অবশ্যই আপনি ভুল ক্যাবলটি ব্যবহার করছেন। তাই এক্ষুনি ক্যাবলটি পরিবর্তন করে দেখুন।
আবার আপনার কম্পিউটারটি যদি অনেক পুরাতন হয়ে থাকে, তবে হতে পারে আপনার কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কার্ড ভালো স্পীড সমর্থন করে না। উইন্ডোজ কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক অ্যাডাপটার সেটিং এ গিয়ে দেখুন; যদি দেখতে পান ১ গিগাবিট স্পীড সমর্থন করে লেখা আছে, তবে স্বাগতম, আপনার নেটওয়ার্ক কার্ডটি গিগাবিট স্পীড সমর্থন করে, যদি ১০০ মেগাবিট প্রদর্শন করে তবে আপনার নেটওয়ার্ক কার্ডটি পুরাতন। তবে আপনার ইন্টারনেট কানেকশন স্পীড যদি ১০০ মেগাবিট/সেকেন্ডের কম হয়, সেখানে নেটওয়ার্ক কার্ডের জন্য কোন সমস্যা হবে না।
যদি আপনার কম্পিউটারটি ওয়াইফাই’এর সাথে কানেক্টেড থাকে, তবে নিচের দিকে সম্ভাব্য সমস্যা গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
আবার এমনও হতে পারে আপনার পিসিতে ইন্টারনেট স্পীড ঠিক রয়েছে কিন্তু আপনার ব্রাউজার ওয়েবপেজ লোড করতে দেরি করছে অথবা আপনার মনে হচ্ছে ব্রাউজার দুর্বল হয়ে গেছে, সেই মুহূর্তে নিশ্চয় আপনার কম্পিউটারের রিসোর্স ঘাটতি রয়েছে। আপনার কম্পিউটার যদি নতুন হয় কিন্তু তারপরেও এই সমস্যা দেখতে পান, তবে অবশ্যই বিশেষ করে বেশি পরিমানে র‍্যাম লাগানো প্রয়োজনীয় (র‍্যাম আপগ্রেড করার টিপস গুলো অনুসরণ করুন)। কারণ ব্রাউজারে যতোবেশি ট্যাব ওপেন করবেন ততোবেশি পরিমানে র‍্যাম প্রয়োজনীয় হবে। র‍্যাম কম হলে ওপেন থাকা ট্যাব গুলো আচানক ক্র্যাশ করতে পারে অথবা পেজ বারবার রিফ্রেশ নিতে পারে। আপনার কম্পিউটার যদি সত্যিই অনেক পুরাতন হয়, তবে এবার সিরিয়াস আপগ্রেড করা প্রয়োজনীয় (পিসি স্লো হয়ে গেছে? | ঠিক কোন আপগ্রেড পিসি পারফর্মেন্স সর্ব উত্তম করতে পারে?)।

রাউটার সমস্যা

রাউটার
আপনার কম্পিউটারের সফটওয়্যার এবং ফিজিক্যাল সমস্যা গুলো টেস্ট করার পরেও যদি ইন্টারনেট স্পীডে কোন পার্থক্য না আসে তবে এবার রাউটারের দিকে নজর দিতে হবে। প্রথমত, আপনার কানেকশন স্পীড যদি অনেক ফাস্ট হয়, মানে আপনি যদি ফাস্ট স্পীডের জন্য টাকা প্রদান করেন আর আপনার রাউটার যদি পুরাতন হয়, তাহলে অবশ্যই রাউটারটি আপগ্রেড করুন। যদি আপনি ওয়াইফাই ব্যবহার করে ডিভাইজ গুলোকে কানেক্ট করেন, তবে অবশ্যই লক্ষ্য করুন, ডিভাইজ গুলো ঠিকঠাক মতো রেডিও সিগন্যাল পাচ্ছে কিনা। যদি কোন কারনে সিগন্যাল বাঁধা পায়, সেক্ষেত্রে ইন্টারনেট স্পীড কমে যাবে এটাই স্বাভাবিক। ডিভাইজ গুলোকে রাউটারের কাছাকাছি নিয়ে আসেন, এবং স্পীড টেস্ট করে দেখেন। যদি স্পীড বেড়ে যায়, তাহলে অবশ্যই সিগন্যাল প্রবলেম রয়েছে। এক্ষেত্রে পুরাতন রাউটার হলে একটি ভালো রাউটার কিনুন, বিশেষ করে একটু ডুয়াল ব্যান্ড রাউটার কিনুন এবং ৫ গিগাহার্জ ব্যান্ডে আপনার ডিভাইজ গুলোকে কানেক্ট করার চেষ্টা করুন, এতে সিগন্যাল বাঁধা পাওয়া কমে যাবে, পাশাপাশি ভালো ব্যান্ডউইথ স্পীডও পাবেন।
আর অবশ্যই রাউটার ফার্মওয়্যার নিয়মিত আপডেটেড রাখুন। সিগন্যাল আরো বিস্তার করার জন্য সিগন্যাল এক্সটেন্ডার কিনতে পারেন, তবে এক্ষেত্রে আমি বলবো সিগন্যাল এক্সটেন্ডারটিকে তারের সাথে কানেক্ট করতে, এতে আরেকটি নতুন আক্সেস পয়েন্ট তৈরি হবে আর বেটার কোয়ালিটি সিগন্যাল পাবেন। যদি আপনার ওয়াইফাই সিগন্যালকেই রিপিট করেন, সেক্ষেত্রে সিগন্যাল রিপিটারটি সেই উইক সিগন্যালকেই রিপিট করবে, এতে খুব বেশি সুবিধা পাবেন না।
আর যদি আপনার ডিভাইজটি রাউটারের কাছে আমার পরেও স্পীড ঠিক না হয় তবে আপনার আইএসপি’র সমস্যা হতে পারে কিংবা আপনার রাউটারটি পুরাতন হতে পারে। আবার আরেকটি বিষয়ও আপনাকে মাথায় রাখতে হবে, আপনার রাউটার হাইজ্যাক করে অন্য কেউ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে না তো? এক্ষেত্রে অবশ্যই রাউটারে লেটেস্ট এনক্রিপশন সিস্টেম ব্যবহার করুন, সাথে রাউটার সেটিংস থেকে আপনার ডিভাইজ গুলো বাদে সকল ডিভাইজ গুলোকে ব্ল্যাকলিস্ট করে দিন, যাতে কেউ অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার না করতে পারে।
সকল স্টেপ অনুসরণ করার পরেও যদি কোন স্পীডে উন্নতি না লক্ষ্য করতে পারেন, অবশ্যই আইএসপিকে ফোন করুন এবং আপনার কানেকশন স্পীডের সমস্যার কথা জানান, কেনোনা এতে আপনার হোম নেটওয়ার্কের কোনই সমস্যা নেই। আর যদি উপরের যেকোনো একটি পদ্ধতি অবলম্বন করার সময় আপনার স্পীড ঠিক হয়ে যায়, তো অভিনন্দন আপনাকে! —আপনি স্পীড বৃদ্ধি করিয়ে দেখালেন!

শেষ কথা


নিচে আমাদের টিউমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন, ঠিক কোন স্টেপটি অনুসরণ করার মাধ্যমে আপনার ইন্টারনেট স্পীড বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। তাছাড়া আপনি কতো স্পীডের লাইনের জন্য টাকা প্রদান করেন এবং আপনি কতোটা স্পীড পাচ্ছেন সেখান থেকে, সবকিছু নিচে আমাদের সাথে শেয়ার করুন।

স্মার্টফোন চার্জিংয়ের সঠিক নিয়ম, টিপস এবং ট্রিক্স

স্মার্টফোন চার্জিংয়ের সঠিক নিয়ম, টিপস এবং ট্রিক্স
স্মার্টফোন চার্জ নিয়ে নানা টিপস এবং ট্রিক্স এতদিন হয়ত আপনি শুনে এসেছেন। কিন্তু খেয়াল করলে দেখবেন এর কোনোটাই হয়ত আপনি মানছেন না। হয়ত সময়ের অভাবে কিংবা মনের ভুলে ফোন চার্জে একই ভুলগুলো বারবার করছেন। প্রতিটি ডিভাইসের ব্যাটারির একটি মেয়াদ শেষের তারিখ রয়েছে। তবে সামান্য কিছু কিছু ভুলের কারণে মেয়াদের আগেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে ফোনের ব্যাটারি।
আর তাই ব্যাটারিকে দির্ঘায়ু রাখতে জরুরি কয়েকটি পরামর্শ দেওয়া হলো-
  • সবসময় ফোনের সাথে দেওয়া চার্জার দিয়ে ফোন চার্জ করার চেষ্টা করুন। যেকোনো মাইক্রো ইউএসবি দিয়ে চার্জ দেওয়া উচিত নয়।
  • নাম না জানা উৎপাদনকারী বা এক কথায় বাজারের সস্তা চাইনিজ চার্জার ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
  • চার্জ দেওয়ার সময় ফোনের প্রোটেকটিভ কেসটি খুলে চার্জ দেওয়ার চেষ্টা করুন।
  • ফাস্ট চার্জিং সবসময় ভালো নয়। এতে অতিরিক্ত ভোল্টেজের কারণে ডিভাইসের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে ফোনের ক্ষতি হতে পারে।
  • সারারাত ধরে ফোন চার্জ দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
  • তৃতীয় পক্ষের ব্যাটারি অ্যাপ ব্যবহার না করাই উত্তম।
  • ফোন সবসময় ৮০ শতাংশ চার্জ হওয়াই ভালো। ১০০ শতাংশ চার্জ না করাই ভালো।
  • পাওয়ার ব্যাংক থেকে ফোনে চার্জ করা অবস্থায় ফোন ব্যবহার করা উচিত নয়।
এমন ছোট ছোট কিছু বিষয় বিবেচনায় রেখে ফোন চার্জ করলে আপনার ফোনের ব্যাটারি লাইফ দীর্ঘ হবে।

ফ্রিতে অনলাইনে মুভি দেখা এবং ডাওনলোডের সেরা পাঁচটি সাইট

ফ্রিতে অনলাইনে মুভি দেখা এবং ডাওনলোডের সেরা পাঁচটি সাইট
আশাকরি সকলে ভালো আছেন। অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম আমার কাছে থাকা কিছু মুভি দেখার ও ডাউনলোডের সাইট আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিন্তু সময় হয়ে উঠছিলো না। তাই আজকে সময় করে লেখাটা লিখেই ফেললাম। অল্প সময়ে লিখলাম তাই কোনো ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
আমরা সকলেই কম বেশি মুভি দেখি। বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম এটি। মুভি দেখার বিভিন্ন সাইট থাকলেও অনেকেই কিছুদিন পর আর কাজ করে না। তাই নতুন নতুন মুভির জন্য আমাদের অনেক ঘাটাঘাটি করতে হয়। আমিও এক সময় করতাম। তাদের মধ্যে কিছু সাইট আমি দেখলাম অনেক ভালো প্রিন্ট এবং খুব জলদি মুভি আপলোড দেয়। সেগুলো আমি বুকমার্ক দিয়ে রেখেছি। আজক সেগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।
১. MoviesCounter: এই সাইটটির বয়স প্রায় ৮ বছরেরও অধিক। এই সাইটটিতে মুভি অনলাইনে দেখা না গেলেও ডাউনলোড করা যায়। এরা অনেক আগে আগে সকল হিন্দি ইংলিশ মুভি আপলোড দিয়ে থাকে।
২. Watch Online Movies: এটি একটি নতুন সাইট হলেও এরা ভালো সার্ভিস দিচ্ছে। এদের কাছে সকল নতুন হিন্দি ইংলিশ মুভি অনেক আগে আগেই পাওয়া যায়। এখানে মুভি ডাউনলোডের পাশাপাশি মুভি অনলাইনে বসেও দেখা যায়। তাই আপনার কাছে ডাউনলোডের ঝামেলা না করতে চাইলে এটি আপনার জন্য একটি ভালো সাইট হবে।
৩. CineVood: মুভি ডাউনলোডের জন্য আরেকটি চমৎকার সাইট এটি। এটির ডিজাইন এবং ইউজার ইন্টারফেস খুব সুন্দর। আপনরা আপনাদের প্রিয় মুভি এখানে উপভোগ করতে পারবেন।
৪. HQ Movie Zone: এটি সুন্দর একটি ওয়েবসাইট। যেখানে আপনারা আপনাদের প্রিয় মুভি খুঁজে পাবেন সবার আগে। কোনো নতুন মুভি প্রয়োজন হলে রিকুয়েস্ট করতে পারবেন। এছাড়াও কোনো মুভিতে সমস্যা থাকলে রিপোর্টও করতে পারবেন। এখানে অনলাইনে মুভি দেখতে পারবেন এবং ডাউনলোডও করতে পারবেন।
৫. MovPly: এটিও একটি সুন্দর ওয়েবসাইট যেখানে আপনারা আপনাদের প্রিয় মুভি উপভোগ করতে পারবেন। আর এটি বিডিআইএক্স (BDIX) কানেক্টেড। আপনাদের আইএসপির সাথে এটি কানেক্টেড থাকলে প্রায় ১০ এমবিপিএস স্পিডে মুভি ডাউনলোড করতে পারবেন। এবং বাফারিং ছাড়া মুভি দেখতে পারবেন।
মুভি দেখার জন্য এই সাইট গুলো সেরা। আমি বুকমার্ক দিয়ে রেখেছি। চাইলে আপনারাও এই সাইট গুলো বুকমার্ক দিয়ে রাখতে পারেন।
বিঃদ্রঃ কোনো ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

কম বাজেটের সেরা ল্যাপটপ

কম বাজেটের সেরা ল্যাপটপ
আমাদের সাপ্তাহিক আলোচনায় আপনাকে স্বাগতম। বর্তমানে আমাদের প্রযুক্তি পণ্যের বাজরে ল্যাপটপ কেনার প্রবর্তন তুলনামুলক বৃদ্ধি পেয়েছে।  খুব দরকার না হলে এখন ডেক্সটপ পিসি আর খুব একটা কিনতে দেখা যায় না। ল্যাপটপ হালকা ও খুব  সহজে বহন যোগ্য হবার কারনে অফিস কর্মী থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের কাছে ল্যাপটপ ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠতে শুরু করেছে। বর্তমানের ল্যাপটপ গুলো আরও শক্তিশালী করে তৈরি করা হয়েছে। এখন ল্যাপটপ এর কুলিং সিস্টেম আগের থেকে অনেক উন্নত করা হয়ছে। হাই রেজুলেশন এর গেম, ভারী কাজ (ফটোশপ, ইলাসস্টেটর, মায়া, ওয়েব ডেভলোপমেন্ট, থ্রিডি) অনায়াসে ল্যাপটপ দিয়ে এখন করা যায়। বর্তমানে ডাটা এন্ট্রি এর কাজের জন্য ল্যাপটপ এর জুড়ি নেই।
আজকে আমরা আলোচনা করবো এমন কিছু ল্যাপটপ নিয়ে যেগুলোর বাজেট ৩০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকার ভিতরে।
আর এই ল্যাপটপ দিয়ে আপনি আপনার অফিসিয়াল কার্যক্রম যেমন টানা টাইপিং, ওয়েব ব্রাউজিং, অফিসিয়াল প্রেজেন্টেশন করার পাশাপাশি কিছু ভারী কাজ করতে পারবেন। অনেক শিক্ষার্থী প্রশ্ন করে থাকেন পড়ালেখার জন্য কেমন ল্যাপটপ কিনলে ভাল হবে? আজকে আমরা এই বিষয় গুলো নিয়ে কথা বলব।
একটি ভাল মানের ল্যাপটপ কেনার আগে বেশ কিছু হিসাব নিকাশ এর দরকার যেমন-
  • প্রসেসরঃ প্রসেসর হলো এর মস্তিষ্ক। বলা যায় একটি ল্যাপটপের প্রায় সব কিছুই নিয়ন্ত্রণ করে প্রসেসর। বিভিন্ন নন-গেমিং অ্যাপ্লিকেশনও (যেমন-ওএস, ব্রাউজার, অন্যান্য অ্যাপ) নিয়ন্ত্রণ করে প্রসেসর। ল্যাপটপ কেনার সময় সিপিইউ বা প্রসেসরের ক্ষেত্রে বেছে নিতে হবে ইন্টেল। এএমডি’র সিপিইউ সম্বলিত ল্যাপটপের পারফরমান্স ইন্টেল এর তুলনায় একটু লো  । বর্তমানে ষষ্ঠ প্রজম্ন থেকে অষ্টম প্রজন্মের প্রসেসর সম্বলিত ল্যাপটপ আছে তবে এখন ৭ম এবং ৮ম প্রজম্নের ল্যাপটপ কেনাই ভাল। ৮ম প্রজন্মের দাম একটু তুলনামূলক বেশি।
  • র‍্যামঃ  ল্যাপটপ এর জন্য আদর্শ হল হল ৪ জিবি র‍্যাম।
  • ডিসপ্লেঃ ১৪” ডিসপ্লে সম্বলিত ল্যাপটপ গুলোতে নিউমেরিক প্যাড গুলো থাকে না আর বহনে একটু সুবিধা পাওয়া যায়। ১৫’’ ডিসপ্লে তুলনামুলক একটু ভারী  হয়।
বেশ কয়েক বছর ধরে এইচপি বাংলাদেশের ল্যাপটপ মার্কেট ধরে রেখেছে, মূলত তাদের এই সাফল্যের পিছনে রয়েছে কম বাজেটে বেশ কিছু ভাল মানের ল্যাপটপ তৈরি এবং অতি দ্রুত সময়ে বিক্রয় পরবর্তী সেবা প্রদান। এরপর যদি আমরা ল্যাপটপ এর রেটিং দেখে ক্রম সাজাই তবে আসুস ধারাবাহিক ভাবে আমাদের দেশের ল্যাপটপ মার্কেটে একটি শক্ত স্থানে আছে।  এরপর লেনেভো, ডেল, এসার ধারাবাহিক ভাবে তাদের নিজ নিজ অবস্থানে রয়েছে।
সেরা কম বাজেটের ল্যাপটপ
এইচপি ১৫বিএস৬৩২টিউ
আমাদের পছন্দের তালিকায় প্রথম ল্যাপটপ হিসেবে এই ল্যাপটপটি রেখেছি। ষষ্ঠ প্রন্মের ২.০ গিগাহার্জ ইন্টেল কোর আই ৩ প্রসেসর সম্বলিত এই ল্যাপটপে ৪ জিবি র‍্যাম থাকায় এই ল্যাপটপটি দিয়ে প্রায় সব ধরনের কাজ করতে পারবেন। ১৫.৬ ইঞ্চি ডিসপ্লে থাকায় আপনি কাজের ক্ষেত্রে একটু বেশি সুবিধা পাবেন। এর ওজন ১.৮৬ কেজি হওয়াতে আপনি খুব সহজেই বহন করতে পারবেন। আর এই ল্যাপটপটি এন্টি স্ক্রাচ হওয়াতে উপরের ঢাকনাতে কোন দাগ পড়বেনা, ফলে আপনার ল্যাপটপ নতুন এর মত থাকবে। ইন্টেল এইচডি গ্রাফিক্স ৫২০ থাকায় আপনি বেশ কিছু নতুন বা পুরাতন গেম খেলতে পারবেন। ৪ সেল এর লিথিয়াম ব্যাটারি থাকায় প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত আপনি ব্যাকআপ পাবেন। একটি এইডিএমআই পোর্ট, দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার এর জন্য রয়েছে ইউসবি ৩.০ পোর্ট, একটি ইউসবি ২.০ পোর্ট, ল্যান কানেকশন এর জন্য একটি আরজে- ৪৫ ইথারনেট
ল্যাপটপটি দুই বছরেরে আন্তর্জাতিক বিক্রয় সেবা সহ দাম পরবে ৩৪,০০০ টাকা। প্রোডাক্টটি ঘরে বসে অনলাইন এ অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করতে পারেন।
আসুস এক্স৫০৭ইউএআসুসের এক্স৫০৭ ইউএ আমাদের পছন্দের তালিকায় ২য় অবস্থান এ রেখেছি। ব্র্যান্ড হিসেবে আসুস এর সুখ্যাতি রয়েছে সারা বিশ্বব্যাপী। এ মডেলটি তাদের কম বাজেটের মডেলগুলোর মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। ১৫.৬ ইঞ্চির বিশাল স্ক্রীনের এই ল্যাপটপটিতে ব্যবহার হয়েছে ষষ্ঠ প্রন্মের ২.০ গিগাহার্জ ইন্টেল কোর আই ৩ প্রসেসর, ৪ জিবি র‌্যাম এবং ১০০০ জিবি হার্ডডিস্ক। উন্নত ও শক্তিশালী প্রসেসর এবং বিশাল স্ক্রীণ সাইজ মূলত এই ল্যাপটপটির সবচেয়ে ভাল দিক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। আসুসের ব্র্যান্ড ভ্যালুও আরেকটি আকর্ষণীয় ব্যাপার হিসেবে রয়েছে। ল্যাপটপটি ওজনে মাত্র ১.৬০ কেজি তাই বহনে খুব একটা বেগ পেতে হবে না। নতুন বা পুরাতন গেম খেলার জন্য রয়েছে ইন্টেল এইচডি গ্রাফিক্স ৫২০। দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার এর জন্য রয়েছে ইউসবি ৩.০ পোর্ট আরও আছে এইচডি ওয়েব ক্যামেরা।  জেনুইন উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম থাকায় মাইক্রোসফট এর প্রিলোডেড কিছু অ্যাপ্লিকেশান পাবেন যেমন করটনা , মাইক্রোসফট অফিস, ওয়ানড্রাইভ, মাইক্রোসফট স্টোর। ৩ সেল এর লিথিয়াম হাই পারফরমান্স ব্যাটারি থাকায় প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত আপনি ব্যাকআপ পাবেন।
ল্যাপটপটি এক বছরেরে বিক্রয় সেবা সহ দাম পরবে ৩৪,৮০০ টাকা। প্রোডাক্টটি ঘরে বসে অনলাইন এ অর্ডার করতে এখানে ক্লিক
 করুন
ডেল ইন্সপিরিওন এন৩৫৬৭ব্র্যান্ড ভ্যালুর বিচারে ডেল-এর এই মডেলটিও অন্যান্যগুলোর তুলনায় খুব একটা কম যায় না। ষষ্ঠ প্রন্মের ২.০ গিগাহার্জ ইন্টেল কোর আই ৩ প্রসেসর এবং ৪ জিবি র‌্যাম এই মডেলটিকে কাজ চালানোর প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করছে। ১০০০ জিবি হার্ডডিস্ক এর সাথে ১৫.৬ ইঞ্চি এর এইচডি ডিসপ্লে যাতে আপনি যেকোনো এইচডি মুভি বা ইউটিউব থেকে ১০৮০পি এর ভিডিও দেখতে পারবেন।  ল্যাপটপটি অন্যান্য ল্যাপটপ এর তুলনায় একটু ভারী এর ওজন ২ কেজির উপরে। এতে হাই ডেফিনেশন মাক্স অডিও প্রো সিস্টেম থাকায় আপনি ক্লিয়ার সাউন্ড পাবেন যে কোন ভলিয়মে। ইন্টেল এইচডি গ্রাফিক্স ৫২০ থাকায় আপনি ফটোশপ এর কাজ ছাড়াও কিছু নতুন পুরাতন গেম খেলতে পারবেন।  দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার এর জন্য রয়েছে ইউসবি ৩.০ পোর্ট আরও আছে এইচডি ওয়েব ক্যামেরা। ২ সেল এর লিথিয়াম হাই পারফরমান্স ব্যাটারি থাকায় প্রায় চার ঘণ্টা পর্যন্ত আপনি ব্যাকআপ পাবেন।
ইন্সপিরিওন এন৩৫৬৭ এক বছরেরে বিক্রয় সেবা সহ দাম পরবে ৩২,৫০০ টাকা। প্রোডাক্টটি ঘরে বসে অনলাইন এ অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন।
এসার এস্পায়ার ই৫-৪৭৫
বাংলাদেশের ল্যাপটপের ব্র্যান্ড ভ্যালুর বিচারে এসার এর অবস্থান একটু নিচের দিকে। আমরা উপরে যে তিনটি ল্যাপটপ নিয়ে আলোচনা করেছি সবগুলো ষষ্ঠ প্রজন্মের কিন্তু এসার এস্পায়ার ই৫-৪৭৫ এই ল্যাপটপটিতে সপ্তম প্রজন্মের ২.৪০ গিগা হার্জ ইন্টেল কোর আই ৩ প্রসেসর, ৪ জিবি র‌্যাম ১০০০ জিবি হার্ডডিস্ক ড্রাইভ রয়েছে। এতে আরও আছে ১৪ ইঞ্চি সিনে ক্রিস্টাল এইচডি ডিসপ্লে, ব্লু লাইটসেল্ড থাকায় চোখের কোন ক্ষতি করে না। এসার ই সিরিজ এর ল্যাপটপ গুলো লং লাস্টিং, যাদের প্রতিদিন অনেক সময় ধরে ল্যাপটপ ব্যবহার করে থাকে তাদের জন্য বিশেষ করে ডিজাইন করা হয়ছে। গ্রাফিক্স হিসেবে এই মডেল এ ইন্টেল এইচডি গ্রাফিক্স ৫২০ থাকায় আপনি উপরেরে ল্যাপটপ গুলোর মতনই ভারী কাজের পাশাপাশি গেম খেলতে পারবেন। একটি ইউসবি ২.০ পোর্ট দুইটি ইউসবি ৩.০ পোর্ট রয়েছে ডাটা ট্রান্সফার এর জন্য। অডিও হিসেবে রয়েছে এসার এর নিজস্ব এসার ট্রুহারমনি সিস্টেম। ট্রুহারমনি সিস্টেম ডিপ বেস এর পাশাপাশি অধিক ভলিয়ম সরবরাহ করে থাকে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক টাচপ্যাড যা গতানুগতিক ধারার থেকে একটু আলাদা। ২৮০০ মিলি এম্পিয়ার ও ৪ সেল যুক্ত ব্যাটারি প্রায় ৭ ঘণ্টার উপরে ব্যাকআপ দিতে সক্ষম।
ল্যাপটপটি দুই বছরেরে আন্তর্জাতিক বিক্রয় সেবা সহ দাম পরবে ৩৫,৫০০ টাকা। প্রোডাক্টটি ঘরে বসে অনলাইন এ অর্ডার করতে এখানে ক্লিক
  করুন।
আসুস ভিভোবুক ফিল্প ১২ টিপি২০৩এনএএইচআমরা আমাদের পছন্দের শেষ ল্যাপটপটি নিয়ে কথা বলব। এই ল্যাপটপটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আদর্শ ল্যাপটপ। ল্যাপটপটি একটি এফোর পেপারের থেকেও ছোট এবং এর ওজন মাত্র ১.১কেজি। ফলে যেকোনো স্থানে খুব সহজে বহন করা যায়। ভিভোবুক ফিল্প ১২ সর্বশেষ ইন্টেল সেলেরন কোয়াড কোর প্রসেসর দ্বারা চালিত। এই প্রসেসর ৩০% বেশি শক্তিশালী এবং ৪৫% বেশি গ্রাফিক্স পারফরমান্স দেয় পূর্বপ্রজন্মের প্রসেসর থেকে। ৪ জিবি র‌্যাম এবং ১০০০ জিবি হার্ডডিস্ক রয়েছে। ৩৬০ ডিগ্রি ১১.৬ ইঞ্চি ডিসপ্লে থাকায় আপনি ট্যাব হিসেবে এই ল্যাপটপটি ব্যবহার করতে পারবেন। ল্যাপটপটিতে আরও রয়েছে ইন্টেল এইচডি গ্রাফিক্স ৫০০। ট্যাব মুড দিয়ে আপনি ১০ আঙুল ব্যবহার করতে পারবেন। এর টাচ প্যাড অন্য সব ল্যাপটপ থেকে একটু বড়। ল্যাপটপটি প্রায় আপনাকে ৮ ঘণ্টার উপরে ব্যাকআপ দিবে। এতে দুইটি ইউসবি ৩.০ একটি টাইপ সি পোর্ট আছে।
জেনুইন উইন্ডোজ ১০ আর দুই বছরের বিক্রয় সেবা সহ দাম মাত্র ৩৩,৫০০ টাকা।  প্রোডাক্টটি ঘরে বসে অনলাইন এ অর্ডার করতে এখানে  ক্লিক করুন।